আমাদের উদ্দেশ্য
|| কোরানের আলোতে মানব ধর্ম সংস্কার ||
একাকার আল্লাহর একক পৃথিবীর একক মানব পরিবারের একক ধর্মইঃ
মানব ধর্ম
সাম্যবাদী ধর্ম
সনাতন ধর্ম
প্রকৃতির ধর্ম
শান্তিবাদী ধর্ম
যার আরবী নাম ইসলাম ধর্ম
ইহা কোন নুতন, বিচ্ছিন্ন, সাম্প্রদায়িক বা দল-উপদলীয় ধর্ম নয় বরং মানবিক ও প্রাকৃতিক।
শান্তিবাদ/সাম্যবাদ বা মানব ধর্মে প্রচলিত মুসলমান, শিয়া, সুন্নী, কাদিয়ানী, হিন্দু, খৃষ্টান, ইহুদি, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন যাবতিয় দল-উপদল স্বীকার/ সমর্থন বা গুরুত্ব দেয় না।
মানব জাতির ধর্মে মাত্র ৩টি দল:
* আস্তিক= আদর্শ, সভ্য, জ্ঞানী, ভদ্র, শৃঙ্খল, শান্তিবাদী
* নাস্তিক= অসভ্য, অভদ্র, মূর্খ, উশৃঙ্খল , অশান্তিবাদী দল।
* প্রতারক= দু-মুখ, আরবীতে যাকে মুনাফিক বলে
( সংখ্যাগরিষ্ট এই প্রতারক দলটি সমাজের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে থাকে)
বিস্তারিত ভাবে লিখিত বই দুটি পড়তে ছবির উপর ক্লিক করুন :
কোরানের আলোকে পক্ষে বিপক্ষে মতামত দিন
সতর্ক:
* কোরান অনুযায়ী যারা নির্দ্দেশ দেয় না বিচার মীমাংসা করে না; তারাই কাফের, ফাছেক ও জালেম। [৫: ৪৪-৪৯]
* সমাজে অশান্তি ও গোলযোগ সৃষ্টি করা খুনাখুনীর চেয়েও নিকৃষ্ট কাজ। [২: ১৯১, ২১৭]


তাহলে মানবতাবাদ ই ধর্ম??????
রাজু, শান্তিবাদ।
সকলের তরে
সকলের ধরণ;
প্রত্যেকের ধারণ
প্রভু স্বীকারোক্তি।
বিনীত।
সয়োকত, শান্তিবাদ
আসলে রাজু সাহেবের কাছে লেখাটি আপনার জন্য শতভাগ প্রযোজ্য। আনুষ্ঠানিকতা কেবলমাত্র সমাজবদ্ধের কারনে সীমাবদ্ধ; এবঙ স্থান কাল পাত্রের পরিবর্তন, উন্নয়ণ এবঙ বিবর্তনের সাথে সাথে উহায়ো পরিবর্তনশীল। খেজুর পাতার সঙসদ, মসজিদ আজ প্রাসাদ, মার্বেল পাথরে বিবর্তীত হয়েছে। আল্লার দরবারে উহার কানা কড়িয়ো মূল্য নেই।
রাজু,
শান্তিবাদ। জ্বী! আরবি ইসলাম শব্দের অর্থই শান্তিবাদ, যার অপর নাম মানবতাবাদ।
বিনীত।
@বাসার
তাহরে আমরা কোনটাকে বিধান বলব ? আনুষ্ঠানিকতা গুলোকে ত বিধান মনে করেই করা হয়।
স্যার
শ্রদ্ধা ও ভক্তি নিবেন । আপনার কাছে চির কৃতজ্ঞ । একমাত্র আপনার কাছেই শিখতে পারলাম একাকার আল্লাহর একক পৃথিবীর একক মানব পরিবারের একক ধর্মই- মানব ধর্ম, সাম্যবাদী ধর্ম, সনাতন ধর্ম, প্রকৃতির ধর্ম, শান্তিবাদী ধর্ম, যার আরবী নাম ইসলাম ধর্ম । স্যার আপনাকে ধন্যবাদ । বিনীত
মানব ধর্ম সংস্কারের উদ্যোগের জন্য ভদ্র যুব সংস্থাকে ধন্যবাদ । তবে আমি মনে করি এ সংস্থাকে বিতর্কের উর্দ্ধে থেকে সংস্কার কর্মকান্ডে আরো বেশী আলেম-উলামা ও মুক্ত চিন্তার অধিকারীদের সম্পৃক্ত করতে হবে এবং এক্ষেত্রে ইসলামী চিন্তাবিদদের অযথা বিতর্ক না করে সত্যিকারের সত্য উদঘাটন করাই আমাদের সকলের কাম্য।
স্যার
শ্রদ্ধা ও ভক্তি নিবেন । মিরাজ ভাই আমার অনেক পুরানো বন্ধু । তাই সে আমাকে ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ করেছে যে, আপনি (স্যার) তার মন্তব্যকে কিভাবে দেখেন সেটা ওয়েবসাইটের মন্তব্য কলামে জানাতে । বিনীত
মিরাজ ভাই
শান্তিবাদ । কেমন আছেন । বহুদিন হয় আগ্রহ সহকারেই আপনি স্যারের লিখিত বই পড়ছেন । আমিও আপনার মত প্রথম দিকে অনেক যাচাই করেছি । তবে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়াটি কোরানিক কিনা সেদিকে খেয়াল রাখবেন ভাইয়া । অবশেষে ওয়েবসাইটে পক্ষে/বিপক্ষে/নিরপেক্ষ যাই হোক মন্তব্য করলেন । ভাল লাগল । আপনাকে স্বাগতম ।
Miraj, ছালাম। আপনার সংক্ষিপ্ত পরামর্শের জন্য অশেষ কৃতজ্ঞ এবঙ বিশেষভাবে আকৃষ্ঠ হয়েছি। দয়া করে ধর্মীয় দায়িত্ব হিসাবে বিস্তারিত পরামর্শ, সাহায্য সহযোগিতা করলে চির বাধিত হবো।
বিনীত।
সালাম সবাইকে,
আপাদের বই পরে জানলাম , রাম,কৃষ্ন, আমাদের নবী সেঙ্গে তুলনা করেছ। তাহলে সীতা,গণেশ,কার্ তিক,দূগ্া,কাল্ী,ইত্যাদি
কোরআনিক ভাবে ব্যাখা দিবেন।
জনাব মাসুম/রনি/পাঠকগণ,
ছালাম । এভাবে নিজের মন্তব্য না দিয়ে কোরানের সাথে ভাল করে মিলিয়ে মিলিয়ে দেখুন কোরান বনাম শরিয়ত গ্রন্থটিতে কোথাও কোরান বহির্ভূত কথা আছে কিনা। যদি কোরান দিয়ে কোন অসামঞ্জস্য প্রমাণ করতে পারেন তবে অবশ্যই আপনাকে স্বাগতম । আপনি যদি খুব ভাল করে বনাম শরিয়ত গ্রন্থটি পড়েন তবে নিম্নের লেখাগুলো দেখার কথা:-
হিন্দুদের দাবী বেদ-গীতা নকল করে বাইবেল রচিত হয়েছে, খৃষ্টানদের দাবী বাইবেল নকল করে কোরান রচিত হয়েছে, মুসলমানরা দাবী করছে কোরান অনুসরণে আজকের বিজ্ঞান অনবরত আবিস্কার করে চলছে । মূলত সবার দাবীই সত্য যেহেতু একই সংবিধান। তাই কোরানে আল্লাহর ঘোষণা ‘অতীতের সব ঐশীগ্রন্থের সংরক্ষক ও সমার্থক এই কোরান।’ এতে নতুন কিছুই নেই । আল্লাহর বিধানে কখনো রদবদল হয়না । অতএব সব ঐশীগ্রণ্থের যেখানে যেখানে মিল আছে তা অবশ্যই একই আল্লাহর এবং যেখানে মিল নেই তা চতুর , ধুরন্ধর মনুষ্যরূপী ইবলিসের রচিত ও সংযোজিতশরিয়ত । কোরান দেখুন:
২:সূরা বাকারা ৮৯ নং আয়াত: তাদের কাছে যা আছে তারই সমার্থক কেতাব আল্লাহর কাছ থেকে আসল । ———- তারা যা জানত তাই যখন তাদের কাছে পুনরায় এলো অথচ তারা প্রত্যাখ্যান করল ।
৪৮: ফাতহ ২৩ নং আয়াত: ইহাই আল্লাহর বিধান প্রাচীন কাল হইতে চলিয়া আসিয়াছে তুমি আল্লাহর বিধানে কোন পরিবর্তন পাবে না ।
৬: আনআম ১৫৯ নং আয়াত: যাহারা ধর্ম সমন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করিয়াছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হইয়াছে তাহাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়; তাহাদের বিষয় আল্লাহর এখতিয়ারভূক্ত । আল্লাহ তাহাদিগকে তাহাদের কৃত কর্ম সমন্ধে কৈফিয়ত তলব করবেন ।
অর্থাত শিয়া, সুন্নী, হানাফী, শাফেই, ওহাবী, আহমাদিয়া ইত্যাদি এবং অন্যান্য জাতির অনুরূপ দল-উপদলের উপর সংস্কারকদের (নবী-রাসুল) কোনই দায়িত্ব ও কর্তব্য নেই। কোরান, ইঞ্জিল, তাওরাত, গীতা, ত্রিপিটক (মূল ঐশী গ্রন্থ) তাদের জন্য নয় । এগুলো বোঝার সময় তাদের নেই । তাদের মামলা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের অপেক্ষায় মাত্র ।
Masum, ছালাম।
১. আমাদের প্রেসিডেন্ট, আমাদের মন্ত্রী, আমাদের এমপি কিন্তু নবি আমাদের নয়। নবি-রাছুল আল্লাহর; আমাদের জন্য নবি-রাছুল।
২.শিব, রাম, কৃষ্ন বুদ্ধ এরা সকলেই নবি-রাছুল। নবি মুহাম্মদের সাথে তুলনা করা হয়নি। কোরানের আলোতে নবিদের মধ্যে তুলনা করা হারাম। তারা সকলেই সমান সন্মানিত। কোরানের বিবৃতি অনুযায়ী সকল নবি-রাছুলদের নাম লিখলে আরো ৩০ পারা কোরানের দরকার হতো। এজন্য সকল নবি-রাছুলদের নাম কোরানে দেয়া হয়নি।
৩. – কলংকিনী রায় লো
কালি গংগা পদ্মা গো
সতী সাধ্বী শ্রীমতি
সীতা সাবিত্রী অহল্যা ভাইগো।
৪. দয়া করে ‘প্রেরণাবাণী’ বইটি পড়ুন।
৫. যে কোন লোকের শতভাগ প্রশ্নের শতভাগ সঠিক উত্তর দেয়ার ক্ষমতা বাসারের নেই। বাসার সে ধরণের আলেম নয়।
বিনীত।
J M Basher Sir সালাম,
আপার কথা মত আমি প্রেরণার বানী পড়ব। তারপর কিছু জানার থাকলে লিখব। ধন্যবাদ
মাসুম ভাই । শান্তিবাদ । আপনাকেও আমাদের সকলের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ এবং আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ। বিনীত
কর্তৃপক্ষ
শান্তিবাদ। সম্প্রতি প্রচলিত সমাজে শরিয়তি রোজার মাস চলছে । এ সম্পর্কে কোরান বনাম শরিয়ত গ্রন্থ থেকে পোষ্ট চাই।